বর্তমান সময়ে চ্যাটিং ও সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে পরিচয় ও বন্ধুত্ব গড়ে ওঠা খুবই সাধারণ বিষয়। এই যোগাযোগকে সহজ ও স্বাভাবিক রাখতে হাসির ভূমিকা অনেক বেশি। ভারী কথা বা অতিরিক্ত রোমান্টিকতা অনেক সময় চাপ তৈরি করে, কিন্তু একটি হালকা মজার মেসেজ মুহূর্তেই কথোপকথনের পরিবেশ বদলে দিতে পারে। তাই অনেকেই আগ্রহী থাকে মেয়ে পটানোর হাসির মেসেজ কীভাবে ব্যবহার করলে সামনে থাকা মানুষটি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে এবং কথা বলতে আগ্রহী হয়।
হাসির মেসেজের মূল শক্তি হলো এর স্বাভাবিকতা। এখানে খুব বুদ্ধিমান বা কৌতুকবিদ হওয়ার দরকার নেই। সাধারণ দৈনন্দিন বিষয় নিয়ে হালকা রসিকতা করলেই অনেক সময় ভালো সাড়া পাওয়া যায়। যেমন, নিজের কোনো ছোট ভুল নিয়ে মজা করা বা পরিস্থিতিভিত্তিক কোনো মজার মন্তব্য কথোপকথনকে প্রাণবন্ত করে তোলে। এতে মেয়েটির মনে আপনার প্রতি একটি বন্ধুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ধারণা তৈরি হয়।
তবে হাসির মেসেজ পাঠানোর সময় ভদ্রতা ও সম্মান বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি। এমন কোনো কথা বলা উচিত নয় যা অপমানজনক, দ্ব্যর্থবোধক বা ব্যক্তিগত সীমা লঙ্ঘন করে। মনে রাখতে হবে, হাসির উদ্দেশ্য আনন্দ দেওয়া, অস্বস্তি তৈরি করা নয়। তাই পরিস্থিতি ও মানুষটির মানসিক অবস্থার দিকে খেয়াল রাখা দরকার।
সব মিলিয়ে বলা যায়, হাসির মেসেজ কোনো জাদু নয়, বরং এটি যোগাযোগের একটি কৌশল। সঠিক সময়ে, সঠিক মাত্রায় এবং সম্মান বজায় রেখে মজার কথা বলতে পারলে কথোপকথন সুন্দরভাবে এগিয়ে যায় এবং ধীরে ধীরে একটি ভালো সম্পর্কের ভিত্তি তৈরি হতে পারে।